আওয়ামী লীগের নিবেদিত প্রাণ শহীদ

মোঃ শহীদুল ইসলাম শহীদ। গাজীপুর, শ্রীপুরের সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তার বাবা ইসমাইল হোসেন ছিলেন একজন ধার্মিক ও স্কুল শিক্ষক। মাস্টার হিসেবে অত্যন্ত সম্মান এবং শ্রদ্ধার ব্যক্তিত্ব ছিলেন তিনি। তার সততা ও ধার্মিকতার আদর্শ কখনো দুনিয়াবি মায়াতে কালিমালিপ্ত হয়নি। বাবার শিক্ষা, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে উন্নয়নের বাংলাদেশ বিনির্মানে রাজপথের লড়াই-সংগ্রামের নাম শহীদুল ইসালাম শহীদ। পরিবহণ সেক্টরে যার পরিধি আলোচিত। যিনি মালিক-শ্রমিকদের ঐক্যবদ্ধ সেতুবন্ধনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে আন্দোলন সংগ্রাম, মামলা-মোকদ্দমা, নির্মম-নিষ্ঠুর নির্যাতনের শিকার হন শহীদ। ১৯৮১ সালের তৎকালীন ৫৬নং ওয়ার্ড, ফুলবাড়িয়া, পশ্চিম ইউনিট আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন মোঃ শহীদুল ইসলাম শহীদ। বর্তমানে তিনি শহাবাগ থানা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
তার রাজনৈতিক জীবন মানবপ্রেম ও অসহায়দের সাহায্যে ছিল গুরুত্বপূর্ণ। কখনো কাউকে ঠকিয়ে তো নয় দায়িত্বশীলতায় প্রসংশনীয় হয়েছেন সর্বমহলে।
সারাবিশ্বের মতো বাংলাদেশ যখন মহামারী করোনার কবলে, যখন থমকে গেছে স্বাভাবিক জীবন, বাঁচার জন্য মানুষের হাহাকার, কর্মহীন জীবনে খাদ্যের শূন্যতা। আর সার্বিকদিক বিবেচনা করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দলের নেতাকর্মীদের অসহায় মানুষদের পাশে থাকার আহ্বান জানান। শেখ হাসিনার আহ্বানে সাড়া দিয়ে মানবতার কল্যাণে নিজেকে নিবেদন করেন শহীদ।
খাদ্য, অর্থ ও চিকিৎসার সেবাসহ বিভিন্নভাবে সাহায্য সহায়তা করেন শহীদ। ব্যক্তিগত সহায়তা ছাড়াও ২০নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ফরিদ উদ্দিন আহমেদ রতনের সহায়তায়ও কয়েকশ মানুষকে ত্রাণ সহায়তা করেছন শহীদ। ৯৬থেকে শুরু সর্বশেষ সিটি করপোরেশনের নির্বাচনেও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন শহীদ।
নির্মম নিষ্ঠুর নির্যাতিত শহীদ ও তার পরিবারঃ
আওয়ামী লীগ করার ফলে পরিবারের উপর নির্মম নির্যাতন নেমে আসে, শহীদের ৫ম শ্রেণীতে পড়ুয়া সন্তান জাহিদুল ইসলাম বাবুকে চোখ বেধে নিয়ে যায় আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। গ্রেফতার হন শহীদও।
শহীদের চিন্তায় আওয়ামী লীগঃ
বঙ্গবন্ধুর আদর্শে যারা সত্যিকার অর্থে রাজনীতি করবে, তারা মানুষের কল্যাণে, দেশের কল্যাণেই কাজ করবে। তাদের দিয়ে অন্যের বিপদ নয়, মানুষের উপকার নিশ্চিত হবে। বিএনপির জ্বালাও পোড়াও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রাজপথে থাকার স্মৃতি চারণে আজকের কাউয়াদের বিষয়ে তিনি হতাশা ব্যক্ত করে বলন, ক্ষমতা সবাইকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়েছে এ দেশের আপামর বাঙালির আস্থার ঠিকানা শুধুমাত্র শেখ হাসিনা। শাহবাগ থানা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে তার ভাবনা, তাদের ভাগ্য পরিবর্তনে। কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিতে, মাদকমুক্ত, চাঁদাবাজ মুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত একটি শক্তিশালী ইউনিট হিসেবে শাহবাগ থানা আওয়ামী লীগের কার্যক্রম পরিচালনায় ব্যাপক পরিকল্পনা রয়েছে তার। শাহবাগ থানা আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্ব পেলে অবশ্যই নতুন রূপে বির্তকমুক্ত একটি থানা আওয়ামী লীগকে উপহার দিবেন বলে জানান তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *