চরফ্যাসনে এতিমখানা ও মন্দির উন্নয়নের ৪০বস্তা চাল জব্দ!

চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধিঃ ভোলার চরফ্যাসন উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের নুর মদিনা হাফেজি মাদ্রাসা এতিমখানা ও জিন্নাগড় ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের শ্রী শ্রী রাধা কৃষ্ণ মন্দির উন্নয়নে জেলা প্রশাসন কর্তৃক বিশেষ বরাদ্দকৃত ২ মেট্রিক টন চালের ১২০০ কেজি জব্দ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২অক্টোবর) রাত ৯টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিনের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে উপজেলার শশীভূষণ থানার রসুলপুর ২নং ওয়ার্ড হাজিরোড এলাকার বাসিন্দা সেলিমের ঘর থেকে ৪০ বস্তার ১২শ কেজি এ চাল জব্দ করা হয়।

জানা যায়, জেলা প্রশাসন কর্তৃক ওই মন্দির ও হাফেজি মাদ্রাসা এতিমখানায় বিশেষ বরাদ্দের ২ মেট্রিক টন চাল দিলে মাদ্রাসা ও মন্দির কর্তৃপক্ষ টন প্রতি ৩০হাজার করে মোট ৬০হাজার টাকায় উপজেলা খাদ্য অফিসের নিরাপত্তা কর্মী সাজ্জাদের মাধ্যমে চালগুলো শশীভূষণের মুদি ও চাল ব্যবসায়ী বাবলুর কাছে পাইকারি মূল্যে বিক্রি করে।

এবিষয়ে শ্রী শ্রী রাধা কৃষ্ণ মন্দির কমিটির সম্পাদক গোপীনাথ ধোপী জানান, মন্দিরের সংস্কার কাজের জন্য জেলা প্রশাসন কর্তৃক বরাদ্দকৃত তাদের ১মেট্রিক টন চাল সাজ্জাদের মাধ্যমে তারা বিক্রয় করে। তবে নুর মদিনা হাফেজি মাদ্রাসা ও এতিমখানার দায়িত্বে থাকা মাওলানা মাইনুদ্দিন কর্তৃক এতিমখানার চাল বিক্রি করার তথ্য পাওয়া গেলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেয়া যায়নি।

এঘটনায় শশীভূষণ খাদ্য গুদামের রেজিস্ট্রার খাতায় গুদাম থেকে চাল দেয়ার কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
দায়িত্বরত খাদ্য কর্মকর্তা কমোল গোপাল দে জানান, জেলা প্রশাসন কর্তৃক বরাদ্দের বিশেষ চাল শ্রমিক কর্তৃক সকলের কাছে না পৌছানোয় তা রেজিষ্ট্রেশন হয়নি। অন্যান্য ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিশেষ বরাদ্দকৃত সকল চাল বিলি হলেই রেজিষ্ট্রেশন খাতায় তা উল্লেখ করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন জানান, ১২শ কেজি চাল (৪০বস্তা) জব্দ করা হয়েছে এবং বাকি ৮শ কেজি চাল উদ্ধার করা হবে। বিষয়টি তদন্ত করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *